পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সময় ও প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে ব্র্যান্ডিং কর্ম-পরিকল্পনাকে তিনটি বিভিন্ন মেয়াদে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
* স্বল্প মেয়াদী : ০৬ মাস * মধ্য মেয়াদী: ০১ বছর ০৬মাস * দীর্ঘ মেয়াদী: ৩ বছর
প্রণীত কর্ম-পরিকল্পনা
* জেলা ব্র্যান্ডিং এর ব্র্যান্ড-পণ্য নির্ধারণ। * লোগো ও ট্যাগলাইন তৈরি। * জেলা ব্র্যান্ডিং এর বিভিন্ন কমিটি গঠন ও দায়িত্ব বন্টন। * নিয়মিত সভা-সমিতির মাধ্যমে অগ্রগতি নিরূপণ ও পরবর্তী কর্মপন্থা নির্ধারণ। * জেলা ব্র্যান্ডিং এর প্রচারণা। * জেলা ব্র্যান্ড-বুক প্রণয়ন। * জেলা-ব্র্যান্ডিং এর থিম সং তৈরি। * পর্যাপ্ত পর্যটন-মান সম্পন্ন আবাসন সুবিধা নির্মাণ। * যানজট নিরসন ও সড়ক ব্যবস্থার উন্নয়ন। * পর্যটকের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সিসি ক্যামেরার ব্যবহার। * গণমাধ্যমে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জেলা-ব্র্যান্ডিং কর্মকান্ডের পরিবেশনা ও উপস্থাপন। * জেলা ভিক্ষুকমুক্তকরণ কর্মসূচির মাধ্যমে হতদরিদ্র ও দরিদ্রদের পুনর্বাসন এবং এর দ্বারা পর্যটকবৃন্দকে ভিক্ষুক কর্তৃক বিড়ম্বনা ও বিরক্তি উৎপাদন হতে রেহাই প্রদান। * গৃহহীনকে গৃহদানের মাধ্যমে সবার জন্যে ঘর নিশ্চিতকরণ এবং এর মাধ্যমে রাস্তাঘাটে ভাসমান মানুষের সংখ্যা হ্রাস করে ব্র্যান্ড-জেলাকে পর্যটকের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলা। * আশ্রয়ন প্রকল্পকে সফল করার মাধ্যমে জেলাকে দরিদ্রমুক্ত করা ও জেলা ব্র্যান্ডিং এর মূল উদ্দেশ্য তথা জেলার সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। * অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি ও এর মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। * নদীতীর ও চরে অধিক সংখ্যক পিকনিক স্পট ও পর্যটন স্পট সৃষ্টি করা। * নদীমাতৃক পর্যটন সহায়ক নৌযান এর প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা। * নদী-সংস্কৃতি কেন্দ্র নির্মাণের মাধ্যমে ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা। * ক্রীড়ামাস ও সাংস্কৃতিক মাস উদ্যাপনের মাধ্যমে সংস্কৃতি ও ক্রীড়া চর্চার বিকাশ এবং মানবসম্পদের উন্নয়ন ঘটানোর মাধ্যমে জেলা-ব্র্যান্ডিংকে তাৎপর্যমন্ডিত করে তোলা। * অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরির মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা ও জেলার আর্থ-সামাজিক কাঠামোর উন্নয়ন ঘটানো।